IPL.com

Najmul Hossain Shanto Creates History as Bangladesh Sweep Pakistan 2-0

by Yashpal

বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইতিহাসে আরও এক সোনালি অধ্যায়ের জন্ম দিলেন Najmul Hossain Shanto। তাঁর নেতৃত্বে Bangladesh national cricket team ঘরের মাঠে প্রথমবারের মতো টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করল Pakistan national cricket team-কে। বুধবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় টেস্টে দাপুটে জয় তুলে নিয়ে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নিল টাইগাররা।

চতুর্থ ইনিংসে পাকিস্তানের সামনে ৪৩৬ রানের বিশাল লক্ষ্য ছুঁড়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। পঞ্চম দিনের শুরুতে সফরকারীদের প্রয়োজন ছিল আরও ১২১ রান, হাতে ছিল মাত্র তিন উইকেট। কিন্তু সেখান থেকেই ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন স্পিনার Taijul Islam।

ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ, শান্তর হাত ধরে নতুন যুগ

এই সিরিজ জয়ের মাধ্যমে টেস্ট ক্রিকেটে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে প্রথমবার ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ। এর আগে ২০২৪ সালেও পাকিস্তানের মাটিতে একই ব্যবধানে সিরিজ জিতেছিল টাইগাররা। ফলে টানা দুই সিরিজে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করার নজির গড়ল বাংলাদেশ।

অধিনায়ক হিসেবে Najmul Hossain Shanto-র উত্থানও এখন চোখে পড়ার মতো। দ্বিতীয় টেস্ট জয়ের পর তিনি ভেঙে দিলেন Mushfiqur Rahim-এর দীর্ঘদিনের রেকর্ড।

মাত্র ১৮টি টেস্টে নেতৃত্ব দিয়ে শান্তর ঝুলিতে এখন ৮টি জয়। অন্যদিকে মুশফিকুর রহিম ৩৪ ম্যাচে পেয়েছিলেন ৭টি জয়।

বাংলাদেশের সফলতম টেস্ট অধিনায়কদের তালিকা

  1. Najmul Hossain Shanto — ১৮ ম্যাচে ৮ জয়

  2. Mushfiqur Rahim — ৩৪ ম্যাচে ৭ জয়

  3. Shakib Al Hasan — ১৯ ম্যাচে ৪ জয়

পাকিস্তান অধিনায়ক হিসেবে লজ্জার রেকর্ড শান মাসুদের

একদিকে শান্তর সাফল্য যখন শিরোনামে, অন্যদিকে Shan Masood-এর অধিনায়কত্ব নিয়ে বাড়ছে প্রশ্ন। ২০২৩ সাল থেকে পাকিস্তানের টেস্ট অধিনায়ক হওয়ার পর ১৬ ম্যাচে মাত্র ৪টি জয় পেয়েছেন তিনি। হেরেছেন ১২টি ম্যাচে।

এর ফলে পাকিস্তানের টেস্ট ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বাধিক হার পাওয়া অধিনায়ক এখন শান মাসুদ। তিনি টপকে গিয়েছেন Inzamam-ul-Haq-কেও।

পাকিস্তানের অধিনায়ক হিসেবে সবচেয়ে বেশি হার

  1. Misbah-ul-Haq — ৫৬ ম্যাচে ১৯ হার

  2. Shan Masood — ১৬ ম্যাচে ১২ হার

  3. Inzamam-ul-Haq — ৩১ ম্যাচে ১১ হার

তাইজুলের ঘূর্ণিতে ধসে পাকিস্তান

পঞ্চম দিনের শুরুতে পাকিস্তানের শেষ ভরসা ছিলেন Mohammad Rizwan। সাজিদ খানের সঙ্গে মিলে অষ্টম উইকেটে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েছিলেন তিনি। ৩১৬/৭ স্কোর থেকে দু’জনে আরও ৪২ রান যোগ করেন।

কিন্তু সেই জুটিই ভাঙেন তাইজুল ইসলাম। প্রথমে সাজিদ খানকে ফেরান তিনি। এরপর Shoriful Islam আউট করেন রিজওয়ানকে। তারপর আবার আঘাত হানেন তাইজুল। খুররম শাহজাদকে ফিরিয়ে পাকিস্তানের ইনিংস ৩৫৮ রানেই গুটিয়ে দেন তিনি।

দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেট নিয়ে ম্যাচের নায়ক হয়ে ওঠেন তাইজুল ইসলাম। তাঁর স্পিন জাদুতেই ঐতিহাসিক সিরিজ জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।