Shaun Tait Steps Down as Bangladesh Bowling Coach Ahead of 2027

একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের বোলিং কোচের দায়িত্ব ছেড়ে দিলেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক তারকা পেসার শুন টেইট। ২০২৫ সালের মে মাসে বাংলাদেশের কোচিং স্টাফে যোগ দেওয়া টেইট আর এই দায়িত্ব চালিয়ে যেতে চাননি বলে নিশ্চিত করেছেন।
বাংলাদেশে যোগ দেওয়ার সময় টেইট জানিয়েছিলেন, তিনি ২০২৭ সালের নভেম্বর পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যেতে আগ্রহী। অর্থাৎ ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত বাংলাদেশের পেস আক্রমণ কীভাবে গড়ে ওঠে, তা কাছ থেকে দেখতে চেয়েছিলেন তিনি। তবে বাস্তবে সেই পরিকল্পনা আর বাস্তবায়িত হলো না।
কেন বাংলাদেশ ছাড়লেন শন টেইট
এর আগেই গুঞ্জন ছিল যে টেইট বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কোচিং দায়িত্ব ছাড়তে পারেন। সেই জল্পনাতেই সিলমোহর দেন তিনি নিজেই। ইএসপিএনক্রিকইনফোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে টেইট জানান, পরিবারের জন্য সময় দেওয়াই এই সিদ্ধান্তের মূল কারণ।
তিনি বলেন,
“বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এবং জাতীয় দলের সঙ্গে আমার বারো মাসের অভিজ্ঞতা ছিল দারুণ। খেলোয়াড়দের সঙ্গে কাজ করে সত্যিই উপভোগ করেছি। বিশেষ করে ফাস্ট বোলিং গ্রুপের সঙ্গে আমার সম্পর্ক খুব ভালো ছিল।”
একইসঙ্গে তিনি এটাও ইঙ্গিত দেন যে ভবিষ্যতে আবার স্বল্পমেয়াদে বাংলাদেশে ফেরার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না। বিশেষ করে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ থাকায় ভবিষ্যতে নতুন সুযোগ আসতেই পারে।
“এটা বাংলাদেশে আমার শেষ অধ্যায় বলে আমি মনে করি না। তবে এখন আমার ছোট পরিবার আমাকে বেশি সময় চায়। তাই সারাবছরের পূর্ণকালীন দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সময় এসেছে,” যোগ করেন টেইট।
শন টেইটের কোচিং ক্যারিয়ার এক নজরে
কোচ হিসেবে শন টেইটের অভিজ্ঞতা বেশ সমৃদ্ধ। বাংলাদেশের আগে তিনি একাধিক ফ্র্যাঞ্চাইজি এবং আন্তর্জাতিক দলে কাজ করেছেন।
| দায়িত্ব | দল বা লিগ |
|---|---|
| হেড কোচ | চিটাগং কিংস (বিপিএল) |
| বোলিং কোচ | বিগ ব্যাশ লিগ |
| বোলিং কোচ | পাকিস্তান সুপার লিগ |
| বোলিং কোচ | লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ |
| আন্তর্জাতিক কোচিং | ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান |
এই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই বাংলাদেশ তার পেস ইউনিটকে আরও শক্তিশালী করতে টেইটকে নিয়োগ করেছিল।
একজন বোলার হিসেবে শন টেইট কতটা ভয়ংকর ছিলেন
খেলোয়াড় হিসেবে শন টেইট ছিলেন নিঃসন্দেহে অন্যতম দ্রুতগতির এবং ভয়ংকর পেসার। ইনজুরির কারণে তার ক্যারিয়ার দীর্ঘ না হলেও, অল্প সময়েই তিনি নিজের ছাপ রেখেছেন।
| ফরম্যাট | ম্যাচ | উইকেট | গড় | ইকোনমি |
|---|---|---|---|---|
| ওয়ানডে | ৩৫ | ৬২ | ২৩.৫৬ | ৫.১৯ |
| টি২০আই | ২১ | ২৮ | – | ৭.৫০ এর নিচে |
বারবার চোট পাওয়ার কারণে তার ক্যারিয়ার থেমে যায়, অনেকটাই শেন বন্ডের মতো পরিস্থিতিতে।
আইপিএলে টেইট খেলেছেন দুটি দলে। ২০১০ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে মাঠে নামলেও, ২০১৬ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্সে থাকলেও কোনো ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি।