জেমিমাহ রড্রিগেস ও যাস্তিকা ভাটিয়ার নেতৃত্বে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শক্তিশালী টি–২০ জয় ভারতের মহিলা দলের

ক্যাপ্টেন Harmanpreet Kaur ছিলেন না। ওপেন করতে নেমে Smriti Mandhana খেলেন গোল্ডেন ডাক। আগ্রাসী Shafali Verma ফিরলেন প্রথম ওভারেই। এত কিছুর পরও চেলমসফোর্ডে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৩৮ রানের দুর্দান্ত জয় তুলে নিল India Women's Cricket Team। কে ভেবেছিল এমন কিছু?
টি–২০ বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র দুই সপ্তাহের একটু বেশি সময় বাকি। তার আগেই প্রস্তুতির মঞ্চে এমন জয় ভারতের জন্য আত্মবিশ্বাসের বড় ডোজ। Jemimah Rodrigues ও Yastika Bhatia-র অনবদ্য হাফ-সেঞ্চুরি এবং পেসার Nandani Sharma-র স্বপ্নের অভিষেকের সুবাদে তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথম টি–২০ ম্যাচে ইংল্যান্ডকে হারাল ভারত।
৭/২ থেকে ১৮৮/৭: জেমিমাহ–যাস্তিকার অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন
টস জিতে ইংল্যান্ড শুরুতেই বাজিমাত করার স্বপ্ন দেখেছিল। পেসার Lauren Bell প্রথম ওভারেই জোড়া আঘাত হানেন। কভার অঞ্চলে ক্যাচ তুলে দেন মন্ধানা, আর ছয় বল পর মিড-অনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন শেফালি। স্কোরবোর্ডে তখন মাত্র ৭/২।
এই জায়গা থেকে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন যাস্তিকা ও জেমিমাহ। সাত বছর পর ভারতের নারী টি–২০ দলে তিন ও চার নম্বর ব্যাটার হিসেবে একসঙ্গে হাফ-সেঞ্চুরি গড়েন তাঁরা।
দুই বছরের বেশি সময় পর টি–২০ দলে ফেরা, হাঁটুর অস্ত্রোপচার কাটিয়ে যাস্তিকা শুরু থেকেই ছিলেন সাবলীল। মাত্র ৩১ বলে তাঁর কেরিয়ারের প্রথম টি–২০ অর্ধশতরান পূর্ণ হয়। ১০ ওভারের মধ্যেই ভারত পেরিয়ে যায় ১০০ রান।
অন্য প্রান্তে জেমিমাহ ছিলেন সৌন্দর্যের প্রতীক। দুর্দান্ত রিস্ট ওয়ার্ক, নিখুঁত গ্যাপ নির্বাচন আর স্ট্রাইক রোটেশনে ইংল্যান্ডের বোলারদের এক মুহূর্তও স্বস্তি দেননি তিনি। একটি বিশাল সোজা ছক্কায় পূর্ণ করেন নিজের ফিফটি।
দু’জনে মিলিয়ে তৃতীয় উইকেটে ৭৬ বলে ১২৬ রানের জুটি গড়েন। জেমিমাহ করেন ৪০ বলে ৬৯, যাস্তিকা করেন ৪০ বলে ৫৪ রান।
শেষ দিকে Deepti Sharma-র ঝোড়ো ২২ (১৩) এবং Arundhati Reddy-র গুরুত্বপূর্ণ অবদান ভারতের স্কোর নিয়ে যায় ১৮৮/৭-এ।
নন্দিনী শর্মার আগুনে স্পেলেই শেষ ইংল্যান্ড
১৮৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে England Women's Cricket Team-এর শুরুটাও ভালো হয়নি। ওপেনিং জুটি Alice Capsey ও Sophia Dunkley ব্যর্থ হন। ৩৭/২ অবস্থায় আবার দায়িত্ব এসে পড়ে Amy Jones-এর কাঁধে।
তিন নম্বরে নেমে জোনস দুর্দান্ত খেলেন। Heather Knight-এর সঙ্গে গড়েন ৬৪ রানের জুটি। নাইট এই ম্যাচেই ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ৩১০ ম্যাচ খেলার রেকর্ড গড়েন।
কিন্তু ম্যাচ তখনই ঘুরে যায়, যখন আক্রমণে আসেন অভিষিক্ত নন্দিনী শর্মা।
প্রথমে তিনি ৬৭ রানে জোনসকে ফেরান, ডিপে ক্যাচ ধরেন শেফালি। পরের বলেই Dani Gibson আউট—হ্যাটট্রিকের সুযোগ। যদিও Charlie Dean হ্যাটট্রিক বল বাঁচান, কিন্তু দু’ বল পরই Issy Wong-কে বোল্ড করে দেন নন্দিনী।
৩৪ রানে ৩ উইকেট—এই স্পেলেই কার্যত শেষ হয়ে যায় ম্যাচ। ইংল্যান্ড থামে ১৫০/৮-এ।
ম্যাচের সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড
| বিভাগ | পরিসংখ্যান |
|---|---|
| ভারত | ১৮৮/৭ |
| ইংল্যান্ড | ১৫০/৮ |
| ম্যাচের সেরা | জেমিমাহ রড্রিগেস |
| ফলাফল | ভারত জয়ী (৩৮ রানে) |
FAQs
ব্যাটে জেমিমাহ রড্রিগেস এবং বলে অভিষিক্ত নন্দিনী শর্মা।
গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ছাড়াই জয় আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে এবং বেঞ্চ শক্তি প্রমাণ করেছে।
Dedicated cricket follower and Bengali sports writer passionate about covering IPL matches, team strategies, player performances, and latest cricket updates. Loves creating engaging and easy-to-read content for every cricket fan.