২০২৬ সালে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের বড় পরিকল্পনা আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ

আইসিসি মেনস টি২০ বিশ্বকাপে ঐতিহাসিক সাফল্যের পর আত্মবিশ্বাসে ভর করে এগিয়ে যেতে চাইছে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট। প্রথমবারের মতো টুর্নামেন্টে সুপার সিক্সে পৌঁছে তারা ইতিহাস গড়েছে। গ্রুপ পর্বে অস্ট্রেলিয়া ও স্বাগতিক শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে শীর্ষে থেকে দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠা ছিল জিম্বাবুয়ের জন্য এক স্মরণীয় অর্জন।
এই সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ২০২৬ সালের হোম বিশ্বকাপের আগে আরও একাধিক শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সিরিজ খেলতে প্রস্তুত জিম্বাবুয়ে। জানা যাচ্ছে, চলতি বছরের শেষদিকে তারা আরেকটি আইসিসি পূর্ণ সদস্য দেশের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ অল ফরম্যাট সিরিজ ঘোষণা করতে চলেছে।
জিম্বাবুয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ২০২৬ সাল
টি২০ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর আইপিএল ও পিএসএল চলাকালীন কয়েক মাস আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিরত ছিল জিম্বাবুয়ে। যদিও দলের কয়েকজন তারকা এই লিগগুলোতে অংশ নিয়েছিলেন, জাতীয় দল হিসেবে মাঠে নামা হয়নি।
পরবর্তী আন্তর্জাতিক সূচিতে জিম্বাবুয়ে জুন ২৮ থেকে জুলাই ১৭ পর্যন্ত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে একটি টেস্ট, তিনটি ওডিআই এবং তিনটি টি২০ ম্যাচ খেলবে। এরপর জুলাই মাসে ভারত সফরে এসে তিনটি টি২০ ম্যাচ খেলবে ভারতীয় দল। পাশাপাশি জানুয়ারিতে তিনটি ওডিআইও অনুষ্ঠিত হবে। সেপ্টেম্বর মাসে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওডিআই সিরিজও রয়েছে সূচিতে।
২০২৬ সালের নিশ্চিত আন্তর্জাতিক সূচি
| প্রতিপক্ষ | ফরম্যাট | সময়কাল |
|---|---|---|
| বাংলাদেশ | ১ টেস্ট ৩ ওডিআই ৩ টি২০ | জুন ২৮ – জুলাই ১৭ |
| ভারত | ৩ টি২০ | জুলাই |
| ভারত | ৩ ওডিআই | জানুয়ারি |
| অস্ট্রেলিয়া | ৩ ওডিআই | সেপ্টেম্বর |
২০২৬ শেষ করতে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজ
সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের সময়সীমায় আরও একটি বড় সিরিজ খেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে জিম্বাবুয়ে। এই সিরিজে তাদের প্রতিপক্ষ হতে পারে আফগানিস্তান। পরিকল্পনা অনুযায়ী, দুই টেস্ট, তিন ওডিআই এবং তিন টি২০ ম্যাচের পূর্ণাঙ্গ সিরিজ অনুষ্ঠিত হতে পারে।
এই সিরিজটি ভারতে অথবা সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও ভেন্যু এখনো চূড়ান্ত হয়নি, তবে শিগগিরই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার কথা। আফগানিস্তান এই সিরিজের আগে ভারত ও আয়ারল্যান্ড সফর করবে।
আন্তর্জাতিক মর্যাদা বাড়ানোর সুযোগ
হোস্ট দেশ হিসেবে আগামী ওডিআই বিশ্বকাপে সরাসরি যোগ্যতা অর্জন করেছে জিম্বাবুয়ে। ফলে শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স তাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা চলছে, যেখানে দলের সংখ্যা ৮ থেকে বাড়িয়ে ১০ বা ১২ করার সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জিম্বাবুয়ে ও আফগানিস্তানের ভালো পারফরম্যান্স ভবিষ্যতের জন্য বড় ভূমিকা নিতে পারে।
জিম্বাবুয়ে বনাম আফগানিস্তান পরিসংখ্যান
| তথ্য | সংখ্যা |
|---|---|
| মোট আন্তর্জাতিক ম্যাচ | ৫৭ |
| জিম্বাবুয়ের জয় | ১৪ |
| আফগানিস্তানের জয় | ৪১ |
| শেষ সাক্ষাৎ | ২০২৪ হারারে |
২০২১ সালের পর এই প্রথমবার দুই দল জিম্বাবুয়ের বাইরে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে চলেছে, যা সিরিজটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
FAQs
কারণ ২০২৬ সালে জিম্বাবুয়ে হোস্ট হিসেবে ওডিআই বিশ্বকাপে অংশ নেবে এবং একাধিক শক্তিশালী সিরিজ খেলবে।
হ্যাঁ, ২০২৬ সালের শেষ দিকে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলার সম্ভাবনা রয়েছে।
Passionate cricket writer and IPL enthusiast covering match updates, player performances, breaking news, and in-depth analysis in Bengali. Dedicated to delivering accurate, engaging, and reader-friendly cricket content for Bengali cricket fans.